প্রযুক্তি খবর

উইন্ডোজ ১০ ত্রুটিমুক্ত করতে যেভাবে আপডেট এবং বুটিং করবেন

By Baadshah

May 23, 2018

মাইক্রোসফট তার ব্যবহারকারীদের কমপিউটিং জীবনকে অধিকতর সহজ-সরল ও গতিময় করার জন্য প্রতিনিয়তই অপারেটিং সিস্টেম উইন্ডোজে যুক্ত করে আসছে নিত্যনতুন ফিচার। কিন্তু তার অপারেটিং সিস্টেমগুলো কখনই শতভাগ বাগমুক্ত বা ত্রুটিমুক্ত ছিল বলা যাবে না। এমনকি মাইক্রোসফটের সবশেষ নতুন অপারেটিং সিস্টেম উইন্ডোজ ১০, যা উইন্ডোজের আগের যেকোনো ভার্সনের অনেক বেশি নির্ভরযোগ্য ও স্থিতিশীল অপারেটিং সিস্টেম হিসেবে ব্যবহারকারীর হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছে । উইন্ডোজ ১০ অপারেটিং সিস্টেমের সর্বশেষ নতুন আপডেটে টাইমলাইন, এইচডিআর সমর্থন, নকশা পরিবর্তন ও আগের অনেক ত্রুটি ঠিক করা হয়েছে। গত মাসের সেই আপডেটটি ধীরে ধীরে সব ব্যবহারকারীর পিসিতে স্বয়ংক্রিয়ভাবে চলে আসবে। অবশ্য আপনি যদি অপেক্ষা করতে না চান তাহলে এখনই ইনস্টল করতে পারেন নতুন সংস্করণটি। তবে এ জন্য আপনার পিসিতে অবশ্যই ইন্টারনেট সংযোগ থাকতে হবে।

যেভাবে আপডেট করবেন

প্রথমে ‘Settings’ অপশন থেকে ‘Update & security’ অপশনে ক্লিক করতে হবে। তারপর ‘Windows Insider Program’ থেকে ‘Get started’ বাটনে ক্লিক করতে হবে। এরপর ‘Link an account’’ অপশন নির্বাচন করে ‘Continue’ অপশন চাপতে হবে। এই কয় ধাপ শেষ হলে পরের অপশনে জানতে চাইবে, ‘What kind of content would you like to receive?’

এ অপশনে থাকা ড্রপডাউন মেন্যু থেকে ‘Just fixes, apps, and drivers’ অপশনে ক্লিক করে

‘Confirm’ এবং এরপর মাইক্রোসফট নীতিমালা মানার ‘Confirm’ বাটনে চাপতে হবে।

সর্বশেষ ‘Restart now’ বাটনে ক্লিক করতে হবে। তাহলে উইন্ডোজ ১০ বিল্ড ১৮০৩ আপডেট ইনস্টল হয়ে যাবে।

আপডেট হয়েছে কি না জেনে নিন

উইন্ডোজ ১০-এর নতুন সংস্করণ আপডেট হয়েছে কি না তা যাচাই করতে ‘Settings’ থেকে Update & Security-তে গিয়ে Windows Update অপশনে যেতে হবে। সেখানে গিয়ে যদি দেখা যায় ‘Windows 10, version 1803’ ইনস্টল, তাহলে বুঝতে হবে নতুন সংস্করণটি আপডেট হয়েছে।

আপনার পিসির বুটিং সময় দ্রুততর করার জন্য ফাস্ট স্টার্টআপ অপশন সক্রিয় করতে চান? বুটিং করবেন যেভাবে:

স্টার্টআপের সময় দ্রুততর করার জন্য টাস্ক ম্যানেজার ব্যবহার করা। উইন্ডোজ ১০ টাস্ক ম্যানেজার পিসির স্টার্টআপ ম্যানেজ করার জন্য এক চমৎকার টুল। এ টুল দিয়ে আপনি প্রোগ্রাম ডিজ্যাবল করতে পারবেন, যেগুলো স্টার্টআপের সময় রান করে। • টাস্কবারে ডান ক্লিক করে সিলেক্ট করুন Task Manager। • যদি টাস্ক ম্যানেজার একটি ছোট উইন্ডো হিসেবে রান করে এবং আপনার সিস্টেমে রান করা বর্তমান অ্যাপ্লিকেশনগুলোকে শুধু প্রদর্শন করে। এবার স্ক্রিনে নিচে ‘More details’ লিঙ্কে ক্লিক করুন। এটি ওপেন করে স্ক্রিনের উপরে মাল্টিপল ট্যাবসহ একটি সম্প্রসারিত ভিউ। • Startup ট্যাবে ক্লিক করুন। এটি স্টার্টআপে রান করা সব অ্যাপ্লিকেশনের একটি লিস্ট করে। • আপনি প্রতিটি অ্যাপ্লিকেশনে ডান ক্লিক করুন যেগুলো স্টার্টআপে রান করাতে চান না। এরপর Disable সিলেক্ট করুন। এরপরও আপনি প্রোগ্রাম রান করাতে পারবেন স্বাভাবিকভাবে এগুলো চালু করার মাধ্যমে। বাড়তি কিছু টিপস কোন প্রোগ্রাম ডিজ্যাবল করতে হবে, সে ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিতে খেয়াল করুন ‘Startup impact’ কলাম। এটি প্রদর্শন করে স্টার্টআপ সময়ে প্রোগ্রামে কোনো ইম্প্যাক্ট নেই, কম ইম্প্যাক্ট, মাঝারি ইম্প্যাক্ট অথবা উচ্চতর ইম্প্যাক্ট আছে কি না।

লিস্টের অনেকগুলো প্রোগ্রাম তেমন সুপরিচিত নয়, ফলে নিশ্চিত হতে পারবেন না যে, সেগুলো ডিজ্যাবল করা উচিত হবে কি না। রিকগনাইজ করতে পারছেন না এমন কোনো প্রোগ্রামে ডান ক্লিক করুন এবং ‘Search online’ সিলেক্ট করুন। এটি চালু করবে ফাইল নেমে একটি অনলাইন সার্চ। লিস্টের যেকোনো প্রোগ্রামে ডান ক্লিক করে সিলেক্ট করুন ‘Open file location’ অপশন। এটি ফোল্ডারে ওপেন করবে Windows Explorer, যেখানে প্রোগ্রামের .exe ফাইল পাওয়া যাবে। এটি হলো প্রোগ্রামের উদ্দেশ্যে আরেকটি ক্লু, যার আলোকে সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন প্রোগ্রামটি রান করানোর জন্য ডিজ্যাবল করা হবে কি না।