করপোরেট

উদ্যোক্তা ভাবনা ও কিছু কথা

By Baadshah

May 06, 2018

আমাদের দেশে বর্তমানে যে এন্ট্রাপ্রেনারিয়েল ইকোসিস্টেমটা আছে সেটা ধীরে ধীরে উন্নতি লাভ করছে। অর্থাৎ, আমাদের দেশে উদ্যোক্তা উন্নয়নে যে সার্বিক অবকাঠামো গড়ে উঠছে যেটা আশাব্যাঞ্জক । এটা বিভিন্ন উপায়ে হচ্ছে-যেমন সরকারের উদ্যোগ । আমাদের দেশের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় উদ্যোক্তা উন্নয়নে ব্যাপক ভূমিকা পালন করছে। সেই সাথে সরকারের শিল্প মন্ত্রণালয় বিভিন্ন ভাবে কাজ করে যাচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয় এবং কলেজ গুলোতে উদ্যোক্তা উন্নয়ন নিয়ে প্রশিক্ষন কর্মসূচীর আয়োজন করা হচ্ছে। বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে উদ্যোক্তা উন্নয়নের উপরে মাস্টারস কোর্সও চালু করেছে। বিভিন্ন সংস্থা, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান এবং মাল্টি ন্যাশনাল কোম্পানি উদ্যোক্তা উন্নয়ন নিয়ে সেশন, সেমিনার বা সামিটের আয়োজন করছে। বিভিন্ন ভেঞ্ছার ক্যাপিটাল ফার্ম ফান্ডের ব্যবস্থা করছে এবং আমাদের দেশে এটা আস্তে আস্তে বাড়ছে। মূলত ২০১২ থেকে এই ট্রেন্ডটা চালু হয়েছে। সরকারি বেসরকারি উদ্যোগ গুলো প্রশংসার দাবিদার। বিভিন্ন পরিসংখান অনুযায়ী ২০১৪-২০১৫ সাল অনুযায়ী আমাদের দেশের প্রায় ৭০ লাখ তরুন উদ্যোক্তা রয়েছে। এই পরিসংখান দেখলে মনে হবে যে খুব বড় কিছু কিন্তু আমাদের পাশ্ববর্তী দেশ ভারত বা উন্নত দেশের সঙ্গে যদি তুলনা করি, তাহলে কিন্তু এই পরিসংখানটা খুব একটা বেশি না। আমার যেটা মনে হয়, এটা ৭০ লাখ বা ৭ কোটি করতে পারলে আমাদের দেশের উন্নয়ন আরো বেশি ত্বরান্বিত হত । আশার কথা এটা আস্তে আস্তে পরিবর্তন হচ্ছে। এটা ২০২১ সাল সালের মধ্যে ব্যাপক পরিবর্তন আনবে বলে আমার বিশ্বাস। তত্ত্বীয় ভাবে বলা যায়, উদ্যেক্তা এবং ব্যবসায়ীর মধ্যে কিছু কিছু পার্থক্য রয়েছে। যেমন আপনার কাছে যদি টাকা থাকে তাহলে খুব সহজেই আপনি একটা ব্যবসায় শুরু করতে পারবেন। উদাহরন হতে পারে, আপনি ভারত থেকে আপনি কিছু পন্য আমদানি করে ব্যবসায় শুরু করতে পারেন। কিন্তু উদ্যেক্তার ক্ষেএে প্রথমেই ধারনা মুখ্য, সেখানে অর্থ মুখ্য বিষয় নয়। উদ্যেক্তা হচ্ছে নিজে নিজে একটা কিছু করা আর দশজনকে সাথে নিয়ে করা যেন সবাই সাবলম্বি হয়। তবে হ্যা উদ্যেক্তা হতে হলে একটা Innovation বা ‘নতুনত্ব’ থাকতে হবে। একটা কম্পিলিট ধারনার উপর কাজ করাই একজন উদ্যোক্তার প্রথম গুনাবলি। এই যে ইকোসিস্টেম আমি নিজে উদ্যোক্তা এবং আমি উদ্যেক্তা শ্রেণি তৈরি জন্য কাজ করছি তো এইটা কিন্তু একটা ভারসাম মো হিসাবে কাজ করছে আরকি। এই ক্ষেএে ভালো লাগে যে আমি নিজেই কিছু একটা করছি। ২০০৩ সাল থেকে আমার মাথার মধ্যে একটা বিষয় ছিলো যে একটা কিছু করবো। তো তখনো আমি উদ্যোক্তা উন্নয়ন নিয়ে বেশ কিছু প্রশিক্ষন নিয়েছি। উল্লখ্য, বিসিকের উদ্যোক্তা উন্নয়ন প্রশিক্ষন আমি নিয়েছি। তখন আমি অনেক দৌড়া-দৌড়ি করে ছিলাম কিন্তু যুতসই ধারনা পাইনি যে কি নিয়ে কাজ করবো। ২০১৪ সালের মাঝামাঝি উদ্যোক্তা হওয়ার জন্য মনোনিবেশ করলাম তখন আমি চিন্তা করলাম আমি নিজে একজন উদ্যোক্ত হবো এবং আমি দশজনকে উদ্যেক্তা বানাবো। আমার মধ্যে এই বিষয়টা কাজ আজকে যে আমার এই লেখা, আমি উদ্যেক্তা নাহয়ে যদি অন্য কোথাও চাকুরী করতাম বা অন্যকিছু করতাম তাহলে কিন্তু আমার এটা লেখা হতো না।

ওই যে বললাম, ৭০ লাখ তরুন উদ্যোক্তা তৈরি হয়েছে সবার প্রোফাইল কিন্তু ঘাটা সম্ভব না। আপনি যদি স্ক্যান করে দেখেন বা র্যানডম করে দেখেন দেখবেন আমি দেখেছি আমি যাদের সঙ্গে কাজ করি যারা তরুন উদ্যোক্তা রয়েছে তারা কিন্তু বিভিন্ন ভাবে অন্টারপোনার ইকোসিস্টেমের উপর কাজ করছে। তারা বিভিন্ন সেশনে যাচ্ছে এবং প্রান্তিক পর্যায়েও আমাদের কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে। অনেক কিন্তু ঢাকার বাইরে গিয়েও উদ্যোক্তা উন্নয়নের উপর প্রশিক্ষন দিচ্ছে। যেমন, উইমেন ইন ডিজিটাল প্লার্টফর্ম যেটা নারী উদ্যোক্তা উন্নয়ন নিয়ে কাজ করছে। এছাড়াও আরো অন্যান্ন উদ্যোক্তা শ্রেনী আছে তারা নারী উদ্যোক্তা তৈরীর ক্ষেএে একটা বড় ধরনের ভূমিকার রাখছে। আমাদের দেশের উন্নয়নের বড় ধরনের সুবিধাই আমি বলব তারা এটা নিয়ে কাজ করছে। আর আরেকটা ব্যপার হচ্ছে যে, এই উদ্যোক্তা উন্নয়নের যেই ধারনাটা এটা নিয়ে আমাদের মধ্যে একটা সমস্যা রয়েছে যে এইটা এখনো সামাজিক ভাবে স্বকৃত নয়। যেমন একটা একজন গ্যাজুয়েশন শেষ করে উদ্যোক্তা হবে এই ধরনের মাইন্ড এখনো তৈরী হয়নি। আমাদের বাবা-মারা ভাববেন তাদের ছেলে / মেয়ে গ্যাজুয়েশন শেষ করে একটা চাকুরীতে ঢুকবেন । কিন্তু চীন, কোরিয়া বা অন্যন্ন দেশে অভিভাবিকরা ভাবেন তাদের ছেলেমেয়েরা একজন উদ্যোক্তা হবেন। আপনি যদি আপনার বাবা-মা কে বলেন যে আমি এখন আমার পড়া-শুনা শেষ করেছি আমি এখন উদ্যোক্তা হবো তো তারা তো শেইটাকে মেনে নেবেন না। কিন্তু যদি বলেন আমি কালকে একটা ছাকুরিতে ডুকছি তারা কিন্তু সেটাকেই বাহবা দেবেন। ওই সামাজিক ধারনা থেকে যদি আমরা বেড়িয়ে আসতে পারি তা হলে ওই যে ৭০ লাখ থেকে ৭ কোটিতে পৌছিয়ে যেতে সময় লাগবেনা। বর্তমানে আমাদের দেশের অনেক তরুণ উদ্যোক্তা বেশ ভালো করছেন এবং তাদের মধ্যে অনেকে আন্তর্জাতিক পুরষ্কারও পেয়েছেন। অনেকে বিভিন্ন ফেলোশিপ পেয়েছেন শুধু মাএই উদ্যোক্তা উন্নয়নে কাজ করার জন্যে। অনেকেই আমাদের তরুন উদ্যোক্তারা কিন্তু বিদেশে গিয়েও সফলতা অর্জন করেছেন। এইটাও কিন্তু আমাদের তরুনদের জন্য একটা বড় সাফল্য । এটা উদাহরন হয়ে যাচ্ছে প্রত্যেক মাসে বছরে প্রত্যেক ক্ষনে যে তরুন আইডিয়া উঠে আসছে। এবং সেই আইডিয়াটা নিয়ে কাজ করার জন্য অনেকেই কাজ করে যাচ্ছে একটা অর্থ দিয়ে বা একটা প্রতিযোগিতা মূলক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই জিনিস গুলো এখন বেশ পরিলক্ষিত হচ্ছে। হ্যা বললাম আমরা যারা উদ্যোক্তা আমরা নিজেরাই একটা কিছু করবো না চাই যে আরো কিছু আসুক এটার মধ্যে আকটা আনন্দ আছে। সবাই মিলে কাজ করার মাঝে একটা আনন্দ আছে এই হয়তো অনেক ক্ষেএে পাওয়া যায় না। আমাদের দেশে সরকারের বর্তমানে যে অবকাঠামো রয়েছে এইটা অনেকটা পজেটিভ উদ্যোক্তা উন্নয়নের ক্ষেএে। আইসিটি থেকে যেসব উদ্যোগ গুলো নেয়া হয় সে গুলো কিন্তু একজন নতুন উদ্যোক্তা তৈরির ক্ষেএে গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা রাখে তাদের কিন্তু অনেক স্টেপ রয়েছে তারা কিন্তু অনেক কাজ করে যাচ্ছে। তবে এখনো কিছু কিছু সমস্যা রয়ে গেছে সেগুলোর একটা হচ্ছে ফািন্ডইং ম্যাকানিজমটা মানে আপনি একজন উদ্যোক্তা আপনি যেকোন একটা উদ্যোগ নিয়ে কাজ করবেন সেটা হতে পারে সামাজিক উদ্যোগ সেটা হতে আর্থিক উদ্যোগ বা বা যেকোনো উদ্যোগ সেখানে কিন্তু অর্থ একটা মূল বিষয় এবং সেই অর্থটা অনেক সময় আমাদের ছেলে-মেয়েদের কাছে থাকেনা। দেখাগেছে অনেক অনেক ভালো ধারনা নিয়ে কাজ করছে কিন্তু অর্থের অভাবে সে আর এগুতে পারছেনা। আবার অনেকের কাছে অর্থ আছে কিন্তু তারা ভালো ধারনার কারনে এগুতে পারছেনা। এই ম্যাচ মেকিংটা আমাদের দেশে হচ্ছে আপনি দেখে থাকবেন আমাদের দেশে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় বা প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয বিজনেস কমোনিকেশন প্রোগ্রাম করছে এস্কেলিটের প্রোগ্রাম হচ্ছে। মূল কথা তারা ম্যাচ মেকিংএর কাজটাই করছে। আপনি ফান্ডিং ম্যাকানিজমের একটা পার্ট এস্কেলিটর প্রোগ্রামও হতে পারে আবার ব্যাংক লোনের বিষয়টা এর মধ্যে চলে আসে। আমাদের দেশের ব্যাংক গুলো কিন্তু সফট লোন বা তরুন উদ্যোক্তা উন্নয়নের জন্য এস এম ই ব্যাংকই আছে। এবং অধিকাংশ ব্যাংকই কিন্তু নারীদের জন্যও আলাদা সেবা চালু রেখেছে লোনের ব্যাপারে বা উদ্যোগের ক্ষেএে। অন্টারপোনার ইকোসিস্টেমের পার্টের মধ্যে পড়ে ফান্ডং ম্যাকানিজমের বিষয় গুলা তারপর আমি যেটা বলছিলাম ভেন্টার ক্যাপালেট তারা কিন্তু অনেক ভালো আইডিয়া গুলোতে ফান্ডিং করছে খুব সাধারন একটা শর্তের বিনিময়ে। উদাহরন স্বরুপ বলতে পারি যে গ্রামীনফোনের এস্কেলিটের প্রোগ্রাম হ্যা, ওখান থেকে কিন্তু অনেক ভালো ধারনা বেরিয়ে এসেছে। আপনি দেখবেন যে সেবা ডট এস্ক ওয়াই জেট এটা কিন্তু খুবই জনপ্রিয়। এ ধরনের আইডিয়া গুলো খুবই ব্যাতিক্রম দেখাযাবে যে খুবই ছোটো ছোটে আইডিয়া গুলো আমরা কিন্তু চিন্তা করতে পারি না যে ও আচ্ছা এটা এই ভাবেও করা যায়। তো সেটাই দেখেন এটা কিন্তু শুধু মাএ ধারনার কারনে। যে আবার হ্যান্ডিং… নামের একটা ই আছে তারাও অনলাইনের সেবা গুলো দিচ্ছে তো ভেরি হাংরি না কি সেটা হতে পারে। পাঠাও আমাদের লোকাল এটা কিন্তু আমাদের ধারনার কারনে আমি দেখেছি যে আমার অনেক পরিচিত ছেলে মেয়ে এটাকে ব্যবহার করছে।

অনেকে কিন্তু এটাকে জব হিসেবেও বেছে নিয়েছে যাদের নিজেদের বাইক আছে তারা সারাদিন জব করবে বিকালের অংশটুকু তারা তাদের নিজের মতো করে কাটাবে কর্মসংস্থানের মধ্যে কিন্তু এটা চলে এসেছে। তো এই সফলতার পাশা-পাশি কিছু বিফলতার গল্পও আছে। বিফলতার গল্পটা হচ্ছে অনেকই হয়তো কিছু দুর যাওয়ার পরে তার আইডিয়ার সাফল্য এলো না তার মন ভেঙে যাচ্ছে। উদ্যোক্তা উন্নয়নের ক্ষেএে এইটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ যে লেগে থাকা। যদি বড় বড় উদ্যোক্তাদের জীবন কাহিনী পড়েন যেমন স্টিভ জব / বিল গেটস এবং অন্যান্ন তারা কিন্তু লেগে থাকা টাকে বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন। যে উদ্যোক্তা হতে হলো প্রথমে যে বিষয়টা থাকতে হবে যে লেগে থাকাটা যে আমি যেটা শুরু করেছি আমি শেটাকে শেষ করবো। বিভিন্ন গবেষনা থেকে দেখা গেছে যে, সাফল্য পেতে হলে পাচঁ বছর লেগে থাকতে তাহলে উদ্যোক্তা হওয়ার শুরুতেই প্রথমেই একটা প্লানইং থাকতে হবে যে পরিকল্পনা পরিকল্পনা এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ মানে এটা অর্থের চেয়েও আপনি ব্যবসায় বা উদ্যোক্তা এই বিষয়টা উঠে এসেছে বাড়-বাড় চিন্তাটা বা ধারনাটা পরিপূর্ন হতে হবে। এই ধারনাটা যদি পরিপূর্ন হয় তাহলে যে অর্থের বিষয়টা সেটা খুব বেশি একটা ঝামেলা হওয়ার কথা নয়। এখানে একটা বিষয় আমি যোগ করতে চাই।

‘এন্ট্রাপ্রেনারস ককাস’ নামে আমরা একটা ইভেন্ট  করেছিলাম যাতে আমাদেরকে ইউএস অ্যামবেসি সার্বিক সহোযোগীতা করেছিল । আমরা যে জিনিসটা হাইলাইট করতে চাচ্ছি যে ‘টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য’ (এসডিজি) । এসডিজি আঙ্গিকে যে সব টেকসই ধারন গুলো সেই গুলোকে আমরা প্রোমোট করতে চাচ্ছি। সব ধারনা গুলোাই উৎসাহ ব্যাঞ্জক কোনটাকেই নিরুসাহিত করছিনা। কিন্তু যেগুলো টেকসই যেগুলো আমাদের সমাজের উপকার করতে পারে এই বিষয় গুলোকে তুলে ধরেছি । আপনি জানেন যে, উদ্যোক্তা উন্নয়নের ক্ষেএে বললেন যে পরিকল্পনা ধারনা বিপনন পরিকল্পনার ব্যাপার আছে ফান্ডিং এর ব্যাপার আছে। আমার ওকাছে এমন কিছু নির্বাচন করা স্পিকার নিয়ে আসি যারা বিভিন্ন ডাইমেশসন থেকে তাদের বক্তব্য গুলো সবার সমানে তুলে ধরে।

একজন তরুন উদ্যোক্তা সেই হিসাবে যারা উদ্যোক্তা হতে চায় তাদের জন্য পরামর্শ্-

প্রথম পরামর্শ হচ্ছে লেগে থাকতে হবে। আকাগ্রচিত্রে আপনার ধারনা টা যাই হক না কেন হোক না কেন সেটা নিয়ে লেগে থাকতে হবে। এবং অনেকই মনে করে যে ব্যবসায়ে প্রথম ব্যবসায় শুরু করতে গেলে অর্থ লাগে আসলে উদ্যোক্তা হওয়ার ক্ষেএে এই ধারনাটা পুরো পুরি ভুল । আসলে অর্থ দিয়ে উদ্যোক্তা হওয়া যায় না। কিন্তু ধারনা দিয়ে উদ্যোক্তা হওয়া যায় । আমি যেটা প্রথমইে বলছিলাম। এখানে আমি বলবো, যারা উদ্যোক্তা হতে চাচ্ছেন তাদের জন্য তাদের উদ্যোক্তা উন্নয়ন নিয়ে পড়াশুনা করার প্রয়োজন আছে। কিভাবে কি করতে হবে এবং আরেকটা ব্যাপার হচ্ছে লেগে থাকতে হবে। এবং আরেকটা বিষিয় হচ্ছে যাদের ‘পেসিভ ইনকামের’ সুযোগ আছে অর্থাৎ আপনি জব করছেণ পাশাপাশি অন্য কিছু করার প্লান করছেন বা আপনি ব্যবসায় করছেন পাশাপাশি অন্য কিছু করছেন। প্যারালাল সিস্টেম বা সমান্তরাল ভাবে আপনি এগুতে পারেন। আমি বলবো যারা উদ্যোক্তা হতে চান পরিকল্পনা করছেন বা ধারনা নিয়ে আছেন তারা লেগে থাকার বিষয়টা আগে থেকেই মাইন্ড সেট করে নিতে হবে । যে আপনি যেটা করবেন সেটাকে একদম একনিষ্ঠ ভাবে আপনি যদি লেগে থাকেন তাহলে দেখবেন আস্তে আস্তে পথ গুলো খুলতে থাকবে। তারপরে আপনি ব্যবসায় করতে গেলে আপনার বিপনন প্রক্রিয়া আপনি লেগে থাকলে আপনার সোর্স তৈরি হবে। তারপর এই যে ফান্ডিং এর কথা বললাম সেটাও হবে। শেষমেশ ডেডিকেট ভাবে লেগে থাকাই উদ্যোক্তাদের মূল মন্ত্র হিসাবে বলে আমি মনে করি।

লেখক: সৈয়দ রবিউস সামস্, উদ্যোক্তা, সাংবাদিক, সিইও, রা’দিয়া ইনকরপোরেশন।