ইভেন্ট

ডিজিটাল মার্কেটিং অ্যাওয়ার্ড ২০১৯- এ পুরস্কৃত ৭৯টি ডিজিটাল ক্যাম্পেইন

By Baadshah

November 04, 2019

ডিজিটাল মার্কেটিং অ্যাওয়ার্ডের তৃতীয় আসরে দেশের ৭৯টি ডিজিটাল ক্যাম্পেইনকে শনিবার একটি জমকালো অনুষ্ঠানের মাধ্যমে পুরস্কৃত করা হয়। বাংলাদেশ ব্র্যান্ড ফোরামের উদ্যোগে আয়োজিত এ ডিজিটাল মার্কেটিং অ্যাওয়ার্ডের পরিবেশনায় ছিল মেঘনা গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রায় ৫শ’ ডিজিটাল প্রফেশনাল। মোট ১৬টি ক্যাটাগরির অধীনে গ্রাঁপ্রি, গোল্ড, সিল্ভার এবং ব্রোঞ্জ – এই ৪টি র‍্যাংকে এ বছরের শ্রেষ্ঠ ডিজিটাল ক্যাম্পেইনগুলোকে পুরস্কৃত করা হয়। ডেইলি স্টারের সহযোগিতায় এ অনুষ্ঠানটি রাজধানীর লা মেরিডিয়ান ঢাকা হোটেলে অনুষ্ঠিত হয়।

ডিজিটাল মার্কেটিং অ্যাওয়ার্ড দেশের ডিজিটাল উদ্যোগগুলোকে সম্মাননা প্রদানের জন্য একমাত্র প্ল্যাটফর্ম। এ বছর অ্যাওয়ার্ডের জন্য মোট ৫শ’টিরও বেশি মনোনয়নপত্র জমা পরে। ৪টি বিচারক প্যানেল এদের মধ্যে প্রাথমিকভাবে বাছাই করেন এবং আরো ৪টি বিচারক প্যানেল এদের মধ্য থেকে বের করে আনেন ৭৯ চুড়ান্ত বিজয়ীকে। বিচারিক কার্যক্রম সম্পর্কে আলোকপাত করেছেন এবারের ডিজিটাল মার্কেটিং অ্যাওয়ার্ডের জুরি প্রেসিডেন্ট, টিজিএইচ কালেক্টিভ –এর প্রতিষ্ঠাতা ও জিসিসিও এবং এশিয়া প্যাসিফিক গ্লোবাল অ্যাডভাইজরি- এর ক্রিয়েটিভ চেঞ্জ ক্যাটালিস্ট টে গুয়ান হিন। তিনি বলেন, ‘গ্রাহকদের সাথে এখন ব্যক্তিগত পর্যায়ে চূড়ান্ত যোগাযোগ স্থাপনের ক্ষেত্রে আগের চেয়ে আরো বেশি মাধ্যম রয়েছে। সঠিক ডিজিটাল কৌশল প্রণয়ন করতে পারলে একটি আকর্ষণীয় এবং অনুপ্রেরণামূলক বিপণন ব্যবস্থা গড়ে তোলা সম্ভব। জুরি প্রেসিডেন্ট হিসেবে আমার ভূমিকা ছিল প্রতিটি কাজকে চুলচেরা বিশ্লেষণ করা যেনো তা শুধু একটি অ্যাওয়ার্ড অর্জনই নয়, বরং বাংলাদেশের সামগ্রিক ডিজিটাল মান উন্নয়নেও সহায়ক হয়।’

এবছর ডিজিটাল মার্কেটিং অ্যাওয়ার্ড -এ ছিল ১টি গ্রাঁপ্রি অ্যাওয়ার্ড, ১২টি গোল্ড অ্যাওয়ার্ড, ১৬টি সিল্ভার অ্যাওয়ার্ড এবং ৫০টি ব্রোঞ্জ অ্যাওয়ার্ড।

এবারের ডিজিটাল মার্কেটিং অ্যাওয়ার্ডের তৃতীয় আসর সম্পর্কে বাংলাদেশ ব্র্যান্ড ফোরামের ডিরেক্টর নাজিয়া আন্দালিব প্রিমা বলেন, ‘ডিজিটাল এবং গতানুগতিক ব্যবস্থার দ্বৈতমাত্রার এই যুগে আমাদের মানবিক সংবেদনকে আরও সক্রিয় করতে হবে। বিপণনকারী ও সৃজনশীল পেশাদারদের উচিত যেকোন সংখ্যাকে সংযোগ ও প্রতিক্রিয়ার জন্য রূপান্তর করা। আর তাহলেই ডিজিটাল ধারণা নতুন বিপণনব্যবস্থার জন্য সম্ভাবনার এক অনন্য সুযোগ সৃষ্টি করতে পারে।’

জমকালো এই পুরস্কার অনুষ্ঠানের পূর্বে এদিন দিনব্যাপী ডিজিটাল সামিটের ষষ্ঠ আসর অনুষ্ঠিত হয়। ২০১৪ সাল থেকে শুরু হওয়া এ সম্মেলনটি দেশের ডিজিটাল মার্কেটিং প্রফেশনালদের তথ্য ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের জন্য সর্বোচ্চ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে সর্বজনবিদিত।

ডিজিটাল মার্কেটিং সামিটের এই ৬ষ্ঠ আসরে উপস্থিত ছিলেন আন্তর্জাতিক ৩ জন বিশিষ্ট বক্তা, যারা ডিজিটাল মার্কেটিং ক্ষেত্রের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোতে মূলপ্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। এছাড়াও, আলোচনার আসরে ছিলেন দেশীয় বিশেষজ্ঞগণ যারা দেশের ডিজিটাল মার্কেটিং- এর বর্তমান পরিস্থিত ও ভবিষ্যৎ রূপরেখার ওপর আলোকপাত করেন। একাধিক প্যানেল আলোচনা, ব্রেকআউট সেশন, ইনসাইট সেশন এবং কেইস স্টাডি প্রেজেন্টেশন সেশনগুলো সামিটের পুরো পরিবেশকে একদিনের পাঠশালার রূপ প্রদান করে।

সম্মেলনে মূলপ্রবন্ধ উপস্থাপন করেন এডিকে’র গ্লোবাল কনসালট্যান্ট এবং কগনেশিয়া ট্যালেন্টের চিফ ক্রিয়েটিভ অফিসার ও এক্সিকিউটিভ এডভাইজার রব শেরলক; এডিএ (আনালিটিক্স – ডাটা – অ্যাডভারটাইসিং) মালয়েশিয়ার বিজনেস ইনসাইট হেড ভিত্তরিও ফুরলান এবং উইঅ্যাডডু’র ম্যানাজিং পার্টনার প্রতীক বসু।

বাংলাদেশ ব্র্যান্ড ফোরাম কর্তৃক আয়োজিত, মেঘনা গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজের পরিবেশনায় অনুষ্ঠিত এ আয়োজনটির সহযোগিতায় ছিল দ্য ডেইলি স্টার। অনুষ্ঠানটি আয়োজনে আরও সাথে ছিলো এস্কিমি; স্ট্র্যাটেজিক পার্টনার- বাংলাদেশ ক্রিয়েটিভ ফোরাম; নলেজ পার্টনার- এমএসবি; ইভেন্ট পার্টনার- লে মেরিডিয়ান ঢাকা; লাইফস্টাইল পার্টনার- অ্যাডভান্সড ডেভেলপমেন্ট টেকনোলজিস; টেকনোলজি পার্টনার- আমরা; ডিজিটাল পার্টনার- অ্যাডভান্সড বিজনেস ইনিশিয়েটিভস; ভিজ্যুয়াল পার্টনার- আতোশ; এবং পিআর পার্টনার- ব্যাকপেজ পিআর।